আমরা বিশ্বাস করি প্রতিটি বাংলাদেশি বেটার নিরাপদ, সহজ এবং উপভোগ্য অভিজ্ঞতার দাবিদার। সেই বিশ্বাস থেকেই nbajeee-র যাত্রা শুরু।
বছর পাঁচেক আগের কথা। তখন বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং মানেই ছিল ইংরেজি ইন্টারফেস, বিদেশি পেমেন্ট পদ্ধতি আর সাপোর্টে ভাষার বাধা। যারা বাংলায় কথা বলেন, তাদের জন্য আলাদা করে কেউ ভাবেনি। ঠিক এই শূন্যস্থান পূরণ করতেই nbajeee-র জন্ম।
আমাদের প্রতিষ্ঠাতা দলটি ছিলেন কয়েকজন তরুণ প্রযুক্তিবিদ এবং ক্রীড়াপ্রেমী, যারা ঢাকায় বসে দেখতেন — বাংলাদেশের ক্রিকেটপাগল মানুষগুলো টাইগারদের ম্যাচে উত্তেজনা ভাগ করে নিতে পারছেন, কিন্তু নিরাপদে ও সহজে বেট করার জায়গা পাচ্ছেন না। সেই উপলব্ধি থেকে নির্মাণ শুরু হলো nbajeee-র।
শুরুতে শুধু ক্রিকেট নিয়ে কাজ করা হয়েছিল। ধীরে ধীরে যুক্ত হলো ফুটবল, কাবাডি, টেনিস, লটারি আর ক্যাসিনো গেম। প্রতিটি ধাপে আমরা ব্যবহারকারীদের মতামত নিয়েছি, তাদের সমস্যার কথা শুনেছি এবং সেই অনুযায়ী প্ল্যাটফর্ম উন্নত করেছি। আজ nbajeee-তে পাঁচ লাখেরও বেশি সদস্য প্রতিদিন বেট করছেন — এটা আমাদের কাছে সবচেয়ে বড় অর্জন।
nbajeee-র মূল বিশ্বাস হলো — বেটিং একটি বিনোদন, দায়িত্ব নয়। আমরা চাই প্রতিটি ব্যবহারকারী হাসিমুখে খেলুক এবং হাসিমুখেই ফিরে যাক। তাই আমাদের প্ল্যাটফর্মে সেলফ-এক্সক্লুশন, বেট লিমিট সেটিং এবং দায়িত্বশীল গেমিংয়ের পূর্ণ সুবিধা রাখা হয়েছে।
আমরা আরও বিশ্বাস করি স্বচ্ছতায়। nbajeee-তে প্রতিটি বেটের অডস কীভাবে তৈরি হয়, প্রতিটি পেমেন্ট কীভাবে প্রক্রিয়া হয় — সব কিছু পরিষ্কার করে জানানো হয়। কোনো লুকানো চার্জ নেই, কোনো অস্পষ্ট শর্ত নেই। যা বলা হয়, তাই করা হয়।
প ্রযুক্তির দিক থেকেও nbajeee সবসময় এগিয়ে থাকতে চায়। রিয়েল-টাইম অডস আপডেট, ইন-প্লে বেটিং, মোবাইল-ফার্স্ট ডিজাইন — এই সব কিছু নিশ্চিত করা হয়েছে যাতে আপনি যেকোনো জায়গা থেকে, যেকোনো সময় নির্বিঘ্নে খেলতে পারেন। ঢাকার বাসে বসে হোক বা সিলেটের চায়ের দোকানে — nbajeee সবসময় আপনার সাথে।
nbajeee-র পুরো টিম বাংলাদেশেই কাজ করে। আমাদের কাস্টমার সাপোর্ট এজেন্টরা বাংলায় কথা বলেন, বাংলায় সমস্যা বোঝেন এবং বাংলায় সমাধান দেন। আপনাকে কোনো ইংরেজি টার্ম বুঝতে গিয়ে মাথা ঘামাতে হবে না। সাপোর্ট চ্যাটে গেলেই পাবেন আপন মানুষের মতো সাহায্য।
পেমেন্টের ক্ষেত্রেও আমরা সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে কাজ করি। Mobile Pay, Nagad ও Rocket — এই তিনটি মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে যেকোনো সময় ডিপোজিট ও উইথড্র করা যায়। জেতার পর এক মিনিটের মধ্যে টাকা আপনার ফোনে — এটাই আমাদের প্রতিশ্রুতি।
প্রতিটি বৈশিষ্ট্য তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের বেটারদের বাস্তব চাহিদার কথা মাথায় রেখে।
ইন্টারফেস থেকে শুরু করে সাপোর্ট — সব কিছু বাংলায়। নতুন ব্যবহারকারীও একদম অনায়াসে বুঝতে পারবেন কোথায় কী করতে হয়।
Mobile Pay, Nagad ও Rocket-এ সরাসরি ডিপোজিট ও উইথড্র। কোনো ডলার নয়, কোনো আন্তর্জাতিক কার্ড নয় — সহজ বাংলাদেশি পদ্ধতিতেই সব।
ম্যাচ চলাকালীন অডস প্রতি সেকেন্ডে আপডেট হয়। পরিস্থিতি বুঝে তাৎক্ষণিক বেট করুন — সবচেয়ে রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা।
SSL এনক্রিপশন, দ্বি-স্তরীয় যাচাইকরণ এবং উন্নত ফায়ারওয়াল দিয়ে আপনার অ্যাকাউন্ট ও তথ্য সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।
রাত ৩টায় সমস্যা হলেও চিন্তা নেই। আমাদের বাংলাভাষী সাপোর্ট টিম সপ্তাহের সাত দিন চব্বিশ ঘণ্টা আপনার পাশে আছে।
প্রতিটি ম্যাচের আগে পাচ্ছেন হেড-টু-হেড রেকর্ড, ফর্ম গাইড ও বিশেষজ্ঞ পূর্বাভাস। তথ্যের ভিত্তিতে বেট করুন।
প্রতিটি ধাপে আমরা বাংলাদেশের বেটারদের আরও কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেছি। এটা সেই পথচলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ।
ঢাকায় একটি ছোট দলের হাত ধরে nbajeee-র যাত্রা শুরু। শুধু ক্রিকেট বেটিং নিয়ে কাজ শুরু। প্রথম মাসেই পাঁচ হাজার সদস্য যোগ দেন।
দেশীয় মোবাইল ব্যাংকিং সংযুক্ত হওয়ার পর ব্যবহারকারীর সংখ্যা তিনগুণ বৃদ্ধি পায়। ফুটবল ও কাবাডি বেটিং যুক্ত হয়।
রিয়েল-টাইম অডস ও ইন-প্লে বেটিং ফিচার চালু হয়। একই বছর লটারি ও ক্যাসিনো বিভাগ যোগ করা হয়।
মাত্র তিন বছরে এক লাখ সক্রিয় সদস্যের মাইলফলক অতিক্রম। মোবাইল অ্যাপের বেটা সংস্করণ মুক্তি পায়।
আজ nbajeee-তে পাঁচ লাখেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য। নতুন গেম ক্যাটাগরি, উন্নত বিশ্লেষণ টুল ও আরও দ্রুত পেমেন্ট সিস্টেম নিয়ে আমরা এগিয়ে চলছি।
nbajeee শুধু একটি বেটিং প্ল্যাটফর্ম নয় — এটি একটি দায়িত্বশীল সম্প্রদায়।
প্রতিটি অডস, প্রতিটি নিয়ম, প্রতিটি শর্ত পরিষ্কারভাবে বাংলায় জানানো হয়। কোনো কিছু লুকানো থাকে না।
আপনার অর্থ ও ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখা আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। কোনো আপোষ নেই।
বেটিং যেন কখনো বোঝা না হয়। আমরা সীমা নির্ধারণের টুল দিই এবং প্রয়োজনে সাহায্যের হাত বাড়াই।
প্রযুক্তি ও ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতায় আমরা থেমে থাকি না। প্রতিদিন আরও ভালো হওয়াই আমাদের লক্ষ্য।
একটি নিবেদিত দল প্রতিদিন কাজ করছে যাতে আপনার অভিজ্ঞতা সেরা হয়।
১০ বছরের ফিনটেক অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের ডিজিটাল পেমেন্ট বিপ্লবের অন্যতম পথিকৃৎ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সিএসই, পরে সিলিকন ভ্যালিতে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশে ফিরেছেন।
বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের জন্য সহজ ও আকর্ষণীয় অভিজ্ঞতা তৈরিতে পাঁচ বছরের দক্ষতা।
৫০ জনের বাংলা সাপোর্ট টিম পরিচালনা করেন। গ্রাহক সন্তুষ্টিই তার একমাত্র লক্ষ্য।